Thursday , September 21 2017
হোম / Uncategorized / গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান মুন্সীর বিরুদ্ধে পাহাড় সমান দুর্নীতির অভিযোগ

গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান মুন্সীর বিরুদ্ধে পাহাড় সমান দুর্নীতির অভিযোগ

6f3af9e41f7134212ce0a8bded5c724a-3

সাব্বির সৈকত : গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান মুন্সীর বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ জমা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে। গণপূর্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ঠিকাদার ঐক্যফ্রন্ট এই অভিযোগ দায়ের করে। গত ২৭/০৪/২০১৬ইং তারিখে উক্ত নথিটি প্রধানমন্ত্রীর বিবেচনার জন্য গৃহীত হয়। উক্ত অভিযোগে বলা হয়, মোঃ হাফিজুর রহমান মুন্সী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অতিরিক্ত সময় গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী হিসাবে কর্মরত আছেন। অথচ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয় এর স্মারক নম্বরঃ মুবিম/প্র-৩/এলপিআর/অর্থ/মুঃযুঃ/সনদ যাচাই/২০১০/২৯৩ তারিখঃ ২০/০৪/২০১০ এর মাধ্যমে জানা যায়, তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ হাফিজুর রহমান মুন্সী, পিতাঃ মৃত মোঃ বজলুর রহমান মুন্সী, টাঙ্গাইল, বাসাইল এর নাম মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় অন্তর্ভূক্ত নাই। ২০১০ সালের পর কী করে অলৌকিকভাবে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় মোঃ হাফিজুর রহমান মুন্সীর নাম মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অন্তর্ভূক্ত হল তা নিয়ে আজও জনমনে প্রশ্ন রয়েছে। অভিযোগে আরো বলা হয়, জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী মোঃ হাফিজুর রহমান মুন্সী (সময় ঃ ২০০১-২০০৬) তৎকালীন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী মীর্জা আব্বাসের একান্ত অনুগত নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে শেরেবাংলা নগর গণপূর্ত বিভাগ-২ এ কর্মরত অবস্থায় চন্দ্রিমা উদ্যানে জিয়ার মাজার ও ক্রিসেন্ট লেকের উপর ব্রীজ নির্মাণের দায়িত্ব পালন করেন। সেই চীন মৈত্রী ন্যাম সম্মেলন কেন্দ্র (বর্তমানে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র) নির্মাণ সংশ্লিষ্ট দুর্নীতির দায়ে প্রকল্প পরিচালক তথা গণপূর্ত অধিদপ্তরের তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বরখাস্ত হন। অথচ একই প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ হাফিজুর রহমান মুন্সী প্রাইজ পোস্টিং পান নারায়ণগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগে। অভিযোগে আরো বলা হয়, জাতীয় মাছ তথা দেশের অর্থনীতির উল্লেখযাগ্য স¤পদ ইলিশের প্রজনন বৃদ্ধির স্বার্থে এবারের পহেলা বৈশাখে প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধু কন্যা, জননেত্রী শেখ হাসিনা খাদ্য তালিকায় ইলিশ মাছ রাখবেন না বলে ঘোষণা দেন। প্রধানমন্ত্রীর মনোভাবের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে সারা দেশের বিবেকবান ও সচেতন নাগরিক এবারে পহেলা বৈশাখে ইলিশ মাছ খাওয়া থেকে বিরত থাকেন। অথচ এই বিএনপিপন্থী তথা ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা মোঃ হাফিজুর রহমান মুন্সী প্রধানমন্ত্রীর এই যুগান্তকারী ঘোষণাকে বৃদ্ধাক্সগুলী দেখিয়ে এবারের পহেলা বৈশাখের প্রাক্কালে বরিশাল থেকে ২৫ লক্ষ টাকার ইলিশ মাছ কিনে ঢাকায় বিভিন্ন প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা ও আমলাদের বাসায় বিতরণ করেন। এছাড়াও ধানমন্ডির সুগন্ধা কমিউনিটি সেন্টারে (অপসরা ভবন) পহেলা বৈশাখের দিন তার বিশাল সাঙ্গ-পাঙ্গ ও বাহিনী নিয়ে ইলিশ মাছ দিয়ে আড়ম্বরপূর্ণ ভুড়ি ভোজের আয়োজন করেন।
এতে আরো বলা হয়, মোঃ হাফিজুর রহমান মুন্সী, তত্ত¦াবধায়ক প্রকৌশলী, ঢাকা গণপূর্ত সার্কেল-২ এ কর্মরত অবস্থায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (সাবেক পিজি হাসপাতাল) নির্মাণ এবং কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার সহ বিভিন্ন নির্মাণ কাজের ব্যাপক অনিয়ম/দুর্নীতির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আজও মামলা চলমান রয়েছে। এছাড়া, রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে বিভিন্ন দুর্নীতি, অনিয়ম, অবৈধ লেনদেনে এতোটা বেপরোয়া হয়ে উঠেন যে অতিষ্ঠ হয়ে রাজউকের কর্মকর্তা/কর্মচারী ও ঠিকাদারদের দ্বারা শারীরিক লাঞ্চিত হন, যা বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকা ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

13115710_1004897976261281_1156725517_n

অপরদিকে, মোঃ হাফিজুর রহমান মুন্সী গণপূর্ত অধিদপ্তরের একজন বেপরোয়া আইন লঙ্ঘনকারী কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। তার চাকুরী জীবনের সকল কর্মস্থলেই পেশাগত কাজে সরকারী আইন ও
বিধিবিধানের তোয়াক্কা করেন না। এমনকি সরকারী দপ্তরের বাইরেও বেপরোয়া চলাচলে অভ্যস্ত। এ
প্রসঙ্গে দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার ১২/০৭/২০১৫ইং তারিখের “নিয়ম না মানাটাই যেন নিয়ম” শিরোনামে একটি খবর উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যেতে পারে। উক্ত প্রতিবেদনে প্রকাশ “প্রচন্ড
যানজটে মানুষের যখন হাসপাস অবস্থা তখন বিশেষ ব্যক্তিরা উল্টো পথে চলে যান। সম্প্রতি একটি
বেসরকারী টেলিভিশনে দেখা যায় রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী মোঃ হাফিজুর রহমান মুন্সী উল্টো পথে গাড়ি চালিয়ে চলে যাচ্ছেন।” এরকম আইন ভাঙ্গার প্রবণতা মোঃ হাফিজুর রহমান মুন্সীর নিত্য দিনের সহজাত অভ্যাস। বদলী বাণিজ্যের ব্যাপারে অভিযোগে বলা হয়, বিকৃত মানসিকতার এই প্রকৌশলী কর্মকর্তাদের বদলীকে প্রধান উপার্জনের উৎস হিসেবে নিয়েছেন। যার ফলশ্রুতিতে অতি অল্প সময়ে গণবদলীর শিকার হয়েছেন ৩ (তিন) শতাধিক প্রকৌশলী। পক্ষান্তরে কচও স্থাপনাসমূহের সেবায় নিয়োজিত আওয়ামী ঘরানার প্রকৌশলীদের ঢাকার বাইরে বদলী করে ঐ সমস্ত জায়গায় মোটা অংকের উৎকোচ এর বিণিময়ে প্রশাসনে ঘাপটি মেরে থাকা জামায়াত/বিএনপি পন্থী প্রকৌশলীরা প্রতিষ্ঠিত হচ্ছেন। হুমকির সম্মুখিন হচ্ছেন কচও স্থাপনা এবং সরকারের অউচ বাস্তবায়ন।
প্রধান প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান মুন্সী ইতোমধ্যে ৪০ জন নির্বাহী প্রকৌশলীকে বদলী করেছেন। তারমধ্যে ১) মোঃ আব্দুর রহিম রিপন, মতিঝিল গণপূর্ত বিভাগ, ঢাকা; ২) আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-২, ঢাকা; ৩) আবুল কালাম, ঢাকা গণপূর্ত ই/এম বিভাগ-১, ঢাকা; ৪) শঙ্কর কুমার মালো, ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-১, ঢাকা; ৫) মোঃ উজির আলী, গণপূর্ত জরিপ বিভাগ, ঢাকা; ৬) আহম্মেদ আনোয়ারুল নজরুল, মেডিকেল কলেজ গণপূর্ত বিভাগ, ঢাকা; ৭) মোঃ আলী আজগর, গণপূর্ত ই/এম কাঠের কারখানা বিভাগ, ঢাকা; ৮) মোঃ আলমগীর খান, গণপূর্ত ই/এম বিভাগ-৩, ঢাকা; ৯) মোঃ তৈমুর আলম, গণগূর্ত ই/এম বিভাগ-৬, ঢাকা।
উল্লেখ করা যেতে পারে যে, উপরে বর্ণিত কর্মকর্তাদের মধ্যে যাদেরকে গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর থেকে ঢাকার
বাইরে হয়রাণীমূলক ও অসময়ে বদলী করা হয়েছে, তাদের অধিকাংশ কর্মকর্তা বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক আদর্শের অনুসারী। বিশেষতঃ ঢাকার বাইরে বদলীকৃত আবুল হোসেন, মোঃ ইলিয়াছ আহম্মেদ, মোঃ আশ্রাফুল হক ছাত্র জীবনে সক্রিয়ভাবে ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন। অপরপক্ষে উপরোক্ত কর্মকর্তাদের সরিয়ে যাদেরকে ঢাকায় স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে তারা সবাই জামায়াত/বিএনপিপন্থী প্রকৌশলী। ইতোমধ্যে এই প্রধান প্রকৌশলী উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী বদলী করেছেন প্রায় ৫০ জন। এর মধ্যে ২১ জনকে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পদায়ন করে উৎকোচ নিয়েছেন। সহকারী প্রকৌশলী বদলী করেছেন ২০ জন। এর মধ্যে মোট ৯ জনের কাছ থেকে উৎকোচ গ্রহণ করেছেন।
অপরদিকে প্রধান প্রকৌশলীর অবিবেচনাপ্রসূত গণবদলীর শিকার হয়েছেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের ডিপ্লোমা প্রকৌশলীগন। ইতোমধ্যে দেড় শতাধিক প্রকৌশল ডিপ্লোমাধারী উপ-সহকারী প্রকৌশলীদের বদলী করা হয়েছে এবং বিএনপি/জামায়াতপন্থী ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অধিষ্ঠিত করেছেন; যেমন- বঙ্গভবন, সংসদ ভবন, মন্ত্রী পাড়া, বাংলাদেশ সচিবালয়। এই সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বর্তমানে পদায়নকৃত স্বাধীনতার চেতনা বিরোধী কর্মকর্তাদের কারণে হুমকির সম্মুখিন। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার তথা আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে যে সকল সরকার বিরোধী মনোভাবাপন্ন উপ-সহকারী প্রকৌশলী/কর্মকর্তা ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলা শহরে কর্মরত ছিল তাদের প্রায় সবাইকে সম্প্রতি যোগদানকৃত প্রধান প্রকৌশলী মোঃ হাফিজুর রহমান মুন্সী মোটা অংকের অর্থ উৎকোচ হিসেবে গ্রহণ করে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পদায়ন করেছেন। অভিযোগে আরো বলা হয়, গণপূর্ত অধিদপ্তরের মোট বাজেটের ১০ শতাংশ টাকা থেকে বরাদ্দ হিসাবে জরুরী মেরামত কাজের জন্য প্রধান প্রকৌশলী সংরক্ষণ করেন। এই বরাদ্দের পরিমান ২৭৫০.০০ লক্ষ টাকা। উক্ত টাকা তিনি ১৫% উৎকোচ এর মাধ্যমে তার মনোনীত ঠিকাদারদের মধ্যে ভাগ বাটোয়ারা করেছেন। এখান থেকে তিনি উৎকোচ গ্রহণ করেছে ৪১২.৫০ লক্ষ টাকা। তাছাড়া তিনি এ বছরের অউচ থেকে ৫% টাকা কর্তনের মাধ্যমে থোকের আওতায় এনেছেন যার পরিমান ১৮০০.০০ লক্ষ টাকা। এখান থেকে তিনি উৎকোচ নিয়েছেন ২০% অর্থাৎ ৩৬০.০০ লক্ষ টাকা। অভিযোগে বলা হয়েছে, গণপূর্ত অধিদপ্তরের আলোচিত রূপপুর পারমানবিক কেন্দ্রের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এর দরপত্র মাঠ পর্যায়ে আহবান করার বিধি থাকলেও তিনি পূর্বের সমস্ত নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে নিজ দপ্তর থেকে দরপত্র আহবান করেছেন এবং পছন্দনীয় ঠিকাদারদের মাঝে সমঝোতার মাধ্যমে ১০% উৎকোচের বিণিময়ে কাজ পাইয়ে দেন। প্রাথমিক পর্যায়ে ১৫০০০.০০ লক্ষ টাকার দরপত্র থেকে উৎকোচ নিয়েছেন ১৫০০.০০ লক্ষ টাকা। এছাড়াও নতুন ৫টি মেডিকেল কলেজ নির্মাণ প্রকল্পের দরপত্র আহবানের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এহেন কর্মকান্ডে গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভাগ, সার্কেল, জোন অফিসসমূহ স্থবির ও কর্মবিমূখ হয়ে পড়েছে। এতে আরো বলা হয়, গণপূর্ত অধিদপ্তরের সকল স্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী সহ সমাজের বিবেকবান ব্যক্তিবর্গের মনে একটাই প্রশ্ন যে মোঃ হাফিজুর রহমান মুন্সী প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালনের সরকারী আদেশ পেয়েছেন মাত্র, এখনও নিয়মিত পদোন্নতি প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয় নাই, এতদসত্ত্বেও মাত্র সাড়ে তিন মাসে যে পরিমাণ স্বেচ্ছাচারিতা ও অবৈধ অর্থ লোপাটের মাধ্যমে দুর্নীতির পাহাড় গড়েছেন- তাতে নিয়মিত পদোন্নতি পেলে ডিপার্টমেন্টকে ধ্বংসের শেষ প্রান্তে নেয়ার পাশাপাশি দেশ ও জনগণের স¤পদ লুন্ঠনের রেকর্ড সৃষ্টি করবেন। মোঃ হাফিজুর রহামন মুন্সী গণপূর্ত অধিদপ্তরের একজন চরম দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এবং দেশ ও জনগণের শত্রু। মুক্তিযোদ্ধা সনদ এর মতো ¯পর্শকাতর বিষয় টাকার মাধ্যমে জালিয়াতি কাজে পটু দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তা পৃথিবীকে টাকার গোলাম বানিয়েছেন। তার ঔদ্ব্যত্বপূর্ণ আচরণ ও নিজস্ব পেশীশক্তি বাহিনীর দাপটে বর্তমানে গণপূর্ত অধিদপ্তরে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে। এই ধরণের বিবেকবর্জিত কর্মকর্তা কী করে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী হয় তা বিবেকবান নাগরিক ও ভুক্তভোগীদের প্রশ্ন। সভ্যতার উন্নয়নে যে অধিদপ্তরের অগ্রণী ভুমিকা, সেই অধিদপ্তরের স্বয়ং বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী ধ্বংসের ব্যবসায় মত্ত। এই ধরণের অসৎ, বিবেকহীন ও অবৈধ অর্থলোভী, দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাকে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচারের আওতায় এনে স্বাধীনতার প্রকৃত মূল্যবোধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন তথা দেশ ও জনগণের স¤পদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা বিবেকবান সকল নাগরিকের দাবী। অভিজ্ঞমহল মনে করেন, উপরোক্ত অভিযোগগুলো অত্যন্ত গুরুতর। এই অভিযোগগুলোর পুরোটাই গণপূর্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ঠিকাদার ঐক্যফ্রন্টের। তাছাড়া, দেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগগুলো উপস্থাপিত হয়েছে। এ ব্যাপারে একটি তদন্ত কমিটি গঠণ করে যাচাই স্বাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা জরুরী হয়ে পড়েছে। (চলবে)

Check Also

এক হাজার হাতের দুর্গা

  জেলা প্রতিনিধি, নোয়াখালী : নোয়াখালীতে এবারও শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে চলছে ব্যাপক আয়োজন। তবে শত …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *