Tuesday , April 25 2017
হোম / উপ-সম্পাদকীয় / জাতীয় অর্থনীতির গতি-প্রকৃতি

জাতীয় অর্থনীতির গতি-প্রকৃতি

Upড. আর এম দেবনাথ
নতুন অর্থবছর (২০১৬-১৭)টির শুরুটা ভালো নয়। এমনিতেই অর্থনীতির কয়েকটি সূচকের মধ্যে কয়েকটি ইতিবাচক, আবার কয়েকটি নেতিবাচক। এমন অবস্থায় গুলশান ও শোলাকিয়ার হত্যাকান্ড পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলেছে। জটিল করার কারণ হচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতি আগের মতো আন্তর্মুখী নয়। যে দুটো প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত সেই দুটো খাতই বিদেশিদের ওপর নির্ভরশীল। গার্মেন্টস রফতানি এবং রেমিট্যান্স দুটোই অর্থনীতির প্রধান শক্তি। অথচ এই দুটোই বাইরের অর্থনৈতিক অবস্থা ও তাদের সদিচ্ছার ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। অথচ দুটো খাতই গুলশান এবং শোলাকিয়া হত্যাকান্ড দ্বারা আক্রান্ত। এই একটা প্যাঁচের মধ্যেই দেখা যাচ্ছে দুটো ইতিবাচক দিক। প্রথমটি মূল্যস্ফীতি (ইনফ্লেশন)। বিগত কয়েক বছরের মধ্যে সর্বনি¤œ। কাগজে দেখলাম তা ছয় শতাংশের নীচে। ভোগ্যপণ্যের দামও মোটামুটি স্থিতিশীল।
প্রধান খাদ্যদ্রব্য চালের মূল্যও স্থিতিশীল। এই অর্থে মানুষ কিছুটা স্বস্তিতে যদিও অবসরপ্রাপ্ত লোকজন, বেকার, বেওয়া-বিধবা এবং নি¤œবিত্তরা বেশ চাপের মধ্যে আছে। আর এই চাপ অর্থমন্ত্রীর নতুন বাজেটের কারণে আরো বেড়েছে। তিনি যত্রতত্র করের ব্যবস্থা করেছেন। কাউকে সেভাবে স্বস্তি দেননি। যারা কর দেন সেই মধ্যবিত্ত চাকরিজীবীদের করের বোঝা  এবার বেড়েছে। জন্ম এবং মৃত্যু ছাড়া আর সর্বত্রই ভ্যাটের ছোঁয়া আছে। এরই মধ্যে ব্যবসায়ীরা অবশ্য সরকারকে ভয় দেখিয়ে তাদের করের বোঝা কমিয়ে নিয়েছেন। কিন্তু যে চাপের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত লোকজনসহ অন্য নি¤œবিত্তরা ছিল এখনো তাই। তাদের আয় কমছেই। এটা কিন্তু নি¤œ মূল্যস্ফীতির তথ্য ফিরে বোঝা যায় না। নি¤œ মূল্যস্ফীতির হিসাব একটা ভিত্তির ওপর করা হয়, এটা গড়ের হিসাবও বটে। এতে প্রকৃত অবস্থা বোঝাও যায় না। আবার নি¤œ মূল্যস্ফীতি অর্থনীতির মন্দাভাবের লক্ষণও হতে পারে, বিশেষ করে যদি তা ঋণ প্রবাহ হ্রাসের কারণজনিত হয় মূল্যস্ফীতি।
সে যা-ই হোক এই মূল্যস্ফীতিকে যদি আপাতত ইতিবাচকও ধরে নিই তাহলে তা অব্যাহত থাকবে কি না এই বিষয়টি ভাববার। কারণ দেখা যাচ্ছে আন্তর্জাতিক বাজারে অনেক পণ্যের দাম আবার বাড়ছে। বাড়ছে তেলের দাম, চালের দাম, সয়াবিন তেলের দাম এবং অনেক পণ্যের দাম যা আমরা আমদানি করি। এক তেলই যথেষ্ট। তেলের দামের নি¤œমুখিতা আমাদের যথেষ্ট স্বস্তিতে রেখেছে গত কয়েক বছর। স্মরণীয় বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর পর সময়সহ আরো দুটো পর্বে যে ভয়াবহ মূল্যস্ফীতি ঘটে এবং যা রাজনীতিকে টালমাটাল করে তা কিন্তু তেলের মূল্যবৃদ্ধির জন্য। অত্যন্ত আশার কথা সেই তেলের মূল্য এতদিন কম ছিল। এর ফলে সরকারের ভর্তুকি খরচ কম হয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের ঋণের বোঝা হ্রাস পেয়েছে। অতীতের অনেক ঋণ তারা পরিশোধ করে তিয়েছে।
সরকার বাহবা নিয়েছে। এহেন তেলের দামসহ অন্যান্য ভোগ্যপণ্যের দাম যদি আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়তে থাকে তাহলে বিপদের আশঙ্কা প্রচুর। অর্থাৎ বর্তমান নি¤œমুখী মূল্যস্ফীতির অন্তরালে একটা বিপদ উঁকি মারছে। এ ছাড়া নি¤œমূল্যস্ফীতি আমাদের সঞ্চয়ের ওপরও আঘাত করছে। ব্যাংকগুলো এখন কোনো সুদ দেয় না। ছয় শতাংশ মূল্যস্ফীতি, পাঁচ শতাংশ সুদের হার। এমতাবস্থায় ভবিষ্যতে মূল্যস্ফীতি সঞ্চয়কে কীভাবে প্রভাবিত করবে তা পরীক্ষা করে দেখা দরকার।
এদিকে আরেকটি ভালো খবর হচ্ছে রফতানির ক্ষেত্রে। কত কথা শুনলাম গার্মেটস মালিকদের মুখে। শেষ পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে রফতানি বেড়েছে প্রায় দশ শতাংশ। এটা এক বড় সাফল্য। বলা বাহুল্য এই সাফল্য এসেছে পোশাক রফতানি বৃদ্ধির কারণে। এক পুতের পারফরম্যান্স। দশটা বিশটা পণ্য নয় আমরা দাঁড়িয়ে আছি একটি পণ্যের ওপর। অবশ্য ভালো খবর এই যে পোশাক রফতানি বৃদ্ধির একটা কারণ বেশি দামের বস্ত্র রফতানি। এটি নতুন একটা ঘটনা, খুবই ভালো লক্ষণ। তবে এখানে একটা বিষয় কেউ আলোচনা করে না। সব কাগজের খবর, ফাটাফাটি খবর রফতানি বৃদ্ধি আশাতিরিক্ত।
২০১৫-১৬ অর্থবছরে রফতানির পরিমাণ ৩ হাজার ৪২৪ কোটি ১৮ লাখ মার্কিন ডলার যা টাকার অঙ্কে দাঁড়ায় ২ লাখ ৭৩ হাজার ৯৩৪ কোটি টাকায়। বিশাল ব্যাপার। তবে এখানে যে কথাটি রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো অথবা বাংলাদেশ ব্যাংকের বলা উচিত তা হচ্ছে নিট রফতানি কত? বর্তমান রফতানির ৮০ শতাংশই পোশাক রফতানির টাকা। পোশাক রফতানির বিপরীতে প্রচুর টাকার যন্ত্র, বক্রম, বোতাম, এক্সেসরিস ইত্যাদি আমদানি করতে হয়। প্রতিটি রফতানি এলসির বিপরীতে থাকে আমদানি এলসি। ধারণা করা হয় পোশাক খাতের ১০০ টাকা রফতানির জন্য ৭০ টাকার মাল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। শত হোক এটি শিল্প নয়। বস্তুত এটা দর্জিশিল্প। অতএব এই খাতের রফতানির কথা বলে যখন গর্ব করি তখন প্রকৃত চিত্রটি দেশবাসীকে দেওয়া দরকার। এর অভাবে হইচই বেশি হয়, হচ্ছে।
এ ছাড়া পোশাক রফতানিকারকরা সম্ভবত ১৫ শতাংশ রফতানি আয় রিটেনশন কোটায় বাইরে রেখে দেন। এর অর্থ প্রকৃত রফতানি আয় হয় আরো কম। তবু আমরা পোশাক রফতানির অঙ্ক নিয়ে গর্ব করতেই অভ্যস্ত। তবে এতদসত্তে¡ও এই খাত আগামীদিনে কী পারফরম্যান্স দেখায় তা ভেবে দেখার বিষয়। খবরের কাগজে দেখা যাচ্ছে পোশাক ক্রেতা বিদেশিরা  এখন বাংলাদেশে আসতে চাইছে না। তারা বৈঠক করতে চায় হংকং, সিঙ্গাপুরে। শোলাকিয়া ও গুলশানের নারকীয় হত্যাকান্ডের কারণে বিদেশিরা বাংলাদেশে আসতে ভয় পাচ্ছে। তাদের সিকিউরিটি সমস্যা বড় হয়ে দেখা দিয়েছে। গুলশান হত্যাকান্ডের শিকার ৮ জনই ইতালীয় যারা ছিলেন পোশাক ক্রেতা। এমতাবস্থায় সিকিউরিটি বা নিরাপত্তা জোরদার করতে না পারলে এই খাত ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা। ইতোমধ্যে বড় বড় হোটেলের বুকিং বাতিল করা হচ্ছে। অন্তর্ভুক্তিমূলক ও পরিবেশবান্ধব খাতে অর্থায়ন প্রসারে পুনঃঅর্থায়ন, তথ্যপ্রযুক্তি ও পেমেন্ট সিস্টেম অবকাঠামোর আমূল আধুনিকায়ন, পরিবেশ ঝুঁকি মূল্যায়ন গাইডলাইন ও অন্যান্য নীতি সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এসব সংস্কারের কারণে মোবাইল ফোন ও স্মার্ট কার্ডভিত্তিক আর্থিক সেবা, ই-কমার্স ও ব্যয়সাশ্রয়ী আর্থিক সেবা জোগানের অন্যান্য কৌশল অবলম্বনের দ্রæত বিস্তারে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো স্বতঃস্টম্ফ‚র্তভাবে উদ্যোগী হয়েছে।
ফলে মূল্যস্টম্ফীতির পাশাপাশি আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতাও বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে। উন্নয়নমুখী কেন্দ্রীয় ব্যাংকিংয়ের ধারণায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূলত অর্থনৈতিক উন্নয়নের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছে। অর্থাৎ নি¤œআয়ের মানুষের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে ভ‚মিকা রাখছে। আমাদের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ উন্নয়নমুখী কার্যক্রম বিশ্বে উত্তরোত্তর স্বীকৃতি পাচ্ছে। আর্থিক খাতে অন্তর্ভুক্তি এবং উন্নয়নমুখী অর্থায়ন সংক্রান্ত বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ২০০৯ সালের পর থেকে এর কার্যক্রমের পরিধি স¤প্রসারিত করেছে। একই সঙ্গে কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ ও উৎপাদনে প্রবৃদ্ধির প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
আর্থিক খাতে অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে ব্যাংক শাখা খোলার জন্য অর্ধেক শাখা পল্লী বা গ্রামে স্থাপনের কৌশলগত নীতি গ্রহণ, গরিব কৃষকদের মাত্র ১০ টাকায় ব্যাংক হিসাব খোলার সুযোগ দেওয়া, শারীরিকভাবে অক্ষম, পঙ্গু, হতদরিদ্র জনগোষ্ঠী, বেকার যুবক ও যুব নারী, অসহায় মুক্তিযোদ্ধা, গার্মেন্ট শ্রমিক, পাদুকা শ্রমিক, সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মী থেকে শুরু করে স্কুলের ছাত্রছাত্রী ও কর্মজীবী পথশিশুদের কাছে ব্যাংকিং সুবিধা পৌঁছানোর জন্য নামমাত্র টাকা দিয়ে ব্যাংক হিসাব খোলার সুযোগ সৃষ্টি করা এবং বর্গাচাষি ও নারী উদ্যোক্তাদের অগ্রাধিকার দিয়ে বিশেষ ঋণ সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়া ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য পুনঃঅর্থায়নের ব্যবস্থা, তথ্যপ্রযুক্তিগত সুবিধার উন্নয়ন, মোবাইল ব্যাংকিং, এজেন্ট ব্যাংকিং, পরিবেশবান্ধব অর্থায়ন এসব অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিংয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক সহায়তা করছে। দেশে কার্যরত সব ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ উদ্যোগের সঙ্গে সম্পৃৃক্ত হয়েছে।
জনগণের দোরগোড়ায় ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিতে দেশে বর্তমানে নয় হাজারের বেশি ব্যাংক শাখা রয়েছে, যার বেশিরভাগই পল্লী শাখা। আর্থিক অন্তর্ভুক্তির একটি বড় উদ্যোগের আওতায় খোলা কৃষকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সংখ্যা এখন প্রায় এক কোটি। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুফল ভোগ করছে যেসব হতদরিদ্র মানুষ, তাদেরও রয়েছে এরূপ প্রায় ৫০ লাখ অ্যাকাউন্ট। কৃষক সরকার প্রদত্ত ভর্তুকি ও ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে কৃষিঋণ পাচ্ছে তার অ্যাকাউন্টে। গার্মেন্টস শ্রমিকরা বেতন-ভাতা পাচ্ছে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে। তারা গ্রামে টাকা পাঠাচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে। অসহায় মুক্তিযোদ্ধারা সরকারি ভাতা পাচ্ছেন তাদের নামে খোলা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে। এসব হিসাব সচল রাখতে কৃষক ও হতদরিদ্রদের সহজ শর্তে ঋণ প্রদানের জন্য নিজস্ব উৎস থেকে ২০০ কোটি টাকার একটি পুনঃঅর্থায়ন তহবিল চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। স্কুল শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী পথশিশুরা এখন ব্যাংকে সঞ্চয় করতে পারছে।
ঢাকায় অ্যান্টি মানিলন্ডারিংয়ের ওপর কনফারেন্স হওয়ার কথা ছিল। তা এখন হবে আমেরিকায়। নিরাপত্তাজনিত কারণে এই কনফারেন্স বাতিল করা হয়েছে। দৃশ্যত এতে পর্যটন ও হোটেল ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে মনে হয়। কিন্তু এতে গার্মেন্ট শিল্পও জড়িত। অতএব পোশাক খাত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে একই পারফরম্যান্স দেখায় কি না তা নির্ভর করে বিদেশি ক্রেতাদের আস্থা সৃষ্টির ওপর। শুধু তাই নয় বর্তমান অর্থবছরে প্রকল্প বাস্তবায়নও বিঘিœত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অধিকাংশ বড় বড় প্রকল্পে বিদেশিরা কাজ করছে। হাজার হাজার বিদেশি কর্মী, প্রকৌশলী ইত্যাদি শ্রেণির লোক গ্রামেগঞ্জে-শহরে কাজ করছে। তাদের নিরাপত্তা একটা বিরাট ইস্যু। এটা নিশ্চিত করা দরকার। দেখা যাচ্ছে আরেকটা ভালো খবর ২০১৫-১৬তে ছিল প্রকল্প বাস্তবায়ন। ৯২ শতাংশই নাকি বাস্তবায়িত হয়েছে। ১০ মাসে ৬০ শতাংশ, ২ মাসে ৩২ শতাংশ। আলাউদ্দিনের চেরাগ বটেই। এই হিসাবে নয় প্রকৃত প্রস্তাবে বিদেশিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করতে পারলে রাজনৈতিকভাবে সংখ্যা দেওয়া যেতে পারে প্রকৃত প্রস্তাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন কম হতে পারে।
খারাপ খবরের মধ্যে আছে রেমিট্যান্সের খবর। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে প্রায় ৫ শতাংশ রেমিট্যান্সের প্রবাহ হ্রাস পেয়েছে। ডলারের বিপরীতে টাকার শক্তিশালী অবস্থান অন্যতম কারণ। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক মন্দা ও মধ্যপ্রাচ্যের টালমাটাল অস্থিরতা বড় কারণ। এখন শোনা যাচ্ছে আরেকটা দুঃসংবাদের কথা। সৌদি আরব, কুয়েত ও ওমান ইত্যাদি দেশ প্রবাসীদের আয়ের ওপর কর বসাতে চায় ১০ শতাংশ। এটি হলে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে রেমিট্যান্স আরো কমতে পারে। এটি একটি মারাত্মক আঘাত হবে আমাদের অর্থনীতির ওপর। প্রায় এক কোটি পরিবার রেমিট্যান্সের ওপর নির্ভরশীল। অভ্যন্তরীণ বাজার রেমিট্যান্সের টাকা দিয়ে চাঙ্গা থাকে। ভোগান্তরও এই টাকাই ঠিক রাখে। গ্রামের মানুষ ভালো থাকে এই টাকায়। যদি রেমিট্যান্সে টান পড়ে তাহলে উপায় নেই। একদিকে রফতানি যদি অনিশ্চিত হয়, অপরদিকে রেমিট্যান্সে যদি টান পড়ে তাহলে থাকে কী নি¤œ মূল্যস্ফীতি? ওটা দিয়ে কী হবে?

Check Also

উপ-সম্পাদকীয় : কবে এই পৃথিবী শিশুদের বাসযোগ্য হবে

বিক্রমজিৎ ভট্টার্চায ঢাকার ডাক : দুনিয়া জুড়ে উদ্বাস্তু শিশুদের সংখ্যা এখন পাঁচ কোটি। সংখ্যাটা ইউরোপের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *