Friday , November 24 2017
শিরোনাম
হোম / সারা বাংলা / বৃষ্টিতে দুর্ভোগে রাজশাহীর নিম্ন আয়ের মানুষ

বৃষ্টিতে দুর্ভোগে রাজশাহীর নিম্ন আয়ের মানুষ

ঢাকার ডাক ডেস্ক :বুধবার ভোর ৫টা থেকেই টানা বৃষ্টি হচ্ছে রাজশাহীতে। বৃষ্টি ছিলো আগের দুই দিনও। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এখনকার ভাসমান ও নিম্ন আয়ের মানুষ। তবে এ বৃষ্টি আশির্বাদ নিয়ে এসেছে এ অঞ্চলের আমন চাষে।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের তথ্য মতে, বুধবার ভোর ৫টায় শুরু হয়েছে বৃষ্টিপাত। ভোর ৬টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ১৪ দশমিক ২ মিলিমিটার। এর আগের ৪৮ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ৭৩ দশমিক ৬ মিলিমিটার। রাতদিন অধিকাংশ সময়ই চলছে বিরামহীন বৃষ্টি।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক লতিফা হেলেন বলেন, মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে রাজশাহীসহ দেশজুড়ে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। রাজশাহীতে কয়েকদিন ধরেই হানা দিয়েছে বৃষ্টি। ভারি না হলেও বৃষ্টিপাত হচ্ছে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের। এ বৃষ্টিপাত আরো দুই একদিন থাকতে পারে বলে ঢাকা আবহাওয়া অফিসের বরাত দিয়ে জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে টানা বৃষ্টিতে নগরীর নিচু এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। কমে গেছে মানুষের চলাচল। কমেছে রিকশা ও অটোরিকশার বহর। বৃষ্টিপাতের ফলে দোকান খুলতে পারেননি নগরীর সাহেববাজার জিরোপায়েন্ট, গণকপাড়া ও রেলস্টেশনসহ বিভিন্ন এলাকার ফুটপাত ব্যবসায়ীরা।

নগরীর সাহেববাজার এলাকার ফুটপাত ব্যবসায়ী শাহজাহান সাজু জানান, ককেয়কদিন ধরেই টানা বৃষ্টি। ফলে দোকান খুলতে পারেননি তারা। মাঝে মধ্যে কিছু সময়ের জন্য বৃষ্টি থামলেও জলাবদ্ধতায় ক্রেতা নেই। ফলে বেচাকেনা উঠেছে শিকেয়। পরিবার নিয়ে চরম কষ্টে কাটছে দিন।

টানা বৃষ্টি কাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন বিভিন্ন এলাকার সবজি চাষিদের। বিশেষ করে নিচু এলাকাগুলোয় অপরিকল্পিকত পুকুর খননে নিষ্কাশন নালা বন্ধ হয়ে তৈরি হয়েছে জলাবদ্ধতা। নষ্ট হচ্ছে ক্ষেতের ফসল। এর প্রভাব গিয়ে পড়েছে নগর সবজি বাজারে। তিন দিনে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে সব ধরণের সবজির দাম। এতে ভোগান্তিতে নগরবাসী।

বুধবার সকালে নগরীর পাইকারি সবজি বাজার মাস্টারপাড়ায় গিয়ে দেখা গেছে, বৃষ্টির মাঝেই চলছে কেনাবেচা। তবে বাজারে সবজির আমদানি কম। ফলে চড়া দামেই সবজি বিক্রি করছেন বিক্রেতারা।

বাজারে প্রতিকেজি পটল ২৫ থেকে ৩০ টাকা, ঢেড়স ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, করলা ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, ঝিঙে ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা, কাকরল ৩০ টাকা, কচু ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, কচুর লতি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, বেগুন ৪০ থেকে ৫০ টাকা, লাউ প্রতিপিস ৩০ থেকে ৩৫ টাকা এবং চাল কুমড়া প্রতিপিস ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তিন দিন আগেই কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা কমে বিক্রি হয়েছে এসব সবজি।

সবজি বিক্রেতা রফিকুল ইসলাম কালু জানান, বর্ষায় ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সবজির আমদানি কম। ফলে চড়া দামেই ক্ষেত থেকে সবজি কিনতে হচ্ছে তাদের। তাই বিক্রিও করতে হচ্ছে চড়া দামেই।

Check Also

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আ.লীগ নেত্রী খুনের ঘটনায় মামলা

অনলাইন ডেস্ক : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে দুর্বৃত্তদের হামলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক স্বপ্না আক্তার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *