Saturday , November 25 2017
শিরোনাম
হোম / জাতীয় / বাংলাদেশ প্রতিবেশীর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখায় বিশ্বাসী: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ প্রতিবেশীর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখায় বিশ্বাসী: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক  : প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সমস্যা থাকতে পারে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্কে বিশ্বাস করে। কিন্তু বন্ধুত্ব ও সহযোগিতাও চলমান থাকবে। যেকোনও সমস্যাই আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা হবে।’  রবিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার রফিউজ্জামান সিদ্দিকী  সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বৈঠকের পরে প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে সীমান্ত এবং সমুদ্র সীমা সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান করেছে।’ তিনি বলেন, ‘ভারতের সংসদ সীমান্ত চুক্তি সংক্রান্ত বিলটি সর্বসম্মতভাবে অনুমোদন করেছে। ভারতের সঙ্গে সমস্যাটির শান্তিপূর্ণ সমাধান সমগ্র বিশ্বের কাছে একটি উদাহারণ সৃষ্টি করেছে।’

শেখ হাসিনা আরও উল্লেখ করেন, ‘একইভাবে মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা সমস্যার সামাধান করা হয়েছে। আমরা শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করে ভারত থেকে ৬২ হাজার শরণার্থী ফিরিয়ে আনার মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিদ্রোহের অবসান ঘটিয়েছি।’

দারিদ্র্যকে এই অঞ্চলের প্রধান শক্র উল্লেখ করে এই অঞ্চলের দেশগুলো থেকে দারিদ্র্যের মূলোৎপটনে একযোগে কাজ করার ওপর গুরুত্বরোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তার সরকারের নেতৃত্বে বিগত সাড়ে ৮ বছরে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নেরও একটি খণ্ডচিত্র তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ক্ষমতায় আসার পরই বেশকিছু নির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে এগিয়ে যাই। যার মধ্যে রয়েছে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, শিক্ষা ও জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। যে কারণে জনগণ এখন এগুলোর সুফল পাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০০১ সালে আমরা বিএনপি-জামায়াতের কাছে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের পর তারা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার অংশ হিসেবে জনকল্যাণ সম্পর্কিত বিভিন্ন কর্মসূচি, যেমন সারাদেশে কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা এবং একটি বাড়ি একটি খামারের মতো উন্নয়ন প্রকল্পগুলো বন্ধ করে দেয়।’ শেখ হাসিনা এ সময় ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধু এভেনিউতে আওয়ামী লীগের সমাবেশে পরিচালিত গ্রেনেড হামলা এবং জঙ্গিদের সাহায্যে ৬৩টি জেলার ৫শ স্থানে পরিচালিত বোমা হামলার প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাসবাদের হুমকির প্রসঙ্গে বলেন, ‘আসলে এতে করে অস্ত্রব্যবসায়ীরাই লাভবান হচ্ছে।’

গত বছর গুলশানের হলি অর্টিজান রেস্তোরাঁয় সন্ত্রাসী হামলার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে পাকিস্তানের হাইকমিশনার বলেন, ‘ওই হামলার পর আর এ ধরনের কোনও ঘটনা বাংলাদেশে ঘটেনি। যেহেতু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সন্ত্রাস এবং জঙ্গিবাদকে কঠোর হস্তে দমনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।’

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব সুরাইয়া বেগম ও প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহম্মদ জয়নুল আবেদীন উপস্থিত ছিলেন।

Check Also

বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে কেরানীগঞ্জে জমি ইজারা পেল যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক :  ভ্রাম্যমাণ ৩০০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে কেরানীগঞ্জের পানগাঁওয়ে অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার টার্মিনালের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *