Sunday , September 24 2017
হোম / ব্যবসা বানিজ্য / মহেশখালী অর্থনৈতিক অঞ্চলে বড় ধরনের কোরিয়ান বিনিয়োগের পরিকল্পনা

মহেশখালী অর্থনৈতিক অঞ্চলে বড় ধরনের কোরিয়ান বিনিয়োগের পরিকল্পনা

ঢাকার ডাক ডেস্ক :  কোরিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এস কে গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান এস কে গ্যাস বাংলাদেশের টিকে গ্রুপের সঙ্গে যৌথভাবে কক্সবাজারের মহেশখালী অর্থনৈতিক অঞ্চল-৩-এ পেট্রোকেমিক্যাল রিফাইনারি, পেট্রোলিয়াম পণ্য মজুদাগার,তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) টার্মিনাল এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করবে।এতে বড় ধরনের বিনিয়োগ পরিকল্পনা রয়েছে।
এজন্য মহেশখালী অর্থনৈতিক অঞ্চল-৩-এ ধলঘাটা ও দক্ষিণ ধলঘাটা মৌজার অধীন ৩০০ একর জমি নিচ্ছে টিকে গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান সুপার পেট্রোকেমিক্যাল প্রাইভেট লিমিটেড (এসপিপিএল)।এ বিষয়ে আজ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) ও এসপিপিএলের মধ্যে জমি বরাদ্দের সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।বেজার নির্বাহী সদস্য মো. হারুনুর রশিদ ও এসপিপিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মোস্তফা হায়দার নিজ নিজ পক্ষে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন।
এ লক্ষে রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মূখ্য সমন্বয় আবুল কালাম আজাদ।এতে অন্যান্যের মধ্যে বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী,বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা)নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী এম আমিনুল ইসলাম, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহ, ঢাকাস্থ কোরিয়া দূতাবাসের বাণিজ্য শাখার মহাপরিচালক ও বিভাগীয় প্রধান জে ডব্লিও কিম,এসকে গ্যাসের ভাইস প্রেসিডেন্ট রো কানগো প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে আবুল কালাম আজাদ তার বক্তব্যে বলেন,প্রাকৃতিক গ্যাসের স্বল্পতা দূর করতে সরকার এলপিজির প্রতি অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে।কোরিয়ান প্রতিষ্ঠানের এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশের জ্বালানী খাতের চেহারা বদলে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী জানান,কক্সবাজারের মহেশখালীতে সরকার ‘এনার্জি হাব’ গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে। এজন্য সেখানে ১০ থেকে ১২ হাজার একর জমি প্রস্তুত করা হচ্ছে।
তিনি বলেন,আশা করছি- দেশের শিল্পায়ন এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে মহেশখালী অর্থনৈতিক অঞ্চল-৩ জোনটি সবচেয়ে বেশি অবদান রাখতে পারবে। কারণ সমুদ্র তীরবর্তী হওয়ায় ইতোমধ্যে বিশ্বের অনেক বড় বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এখানে বিনিয়োগ আগ্রহ দেখিয়েছে।
এই জোনের সঙ্গে রেলপথসহ অন্যান্য যোগাযোগ অবকাঠামো দ্রুত স্থাপন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
পবন চৌধুরী আরো জানান,আগামী জানুয়ারি মাসে এসপিপিএলের অনুকূলে জমি হস্তান্তর করা যাবে এবং মার্চের পর থেকে জমিতে শিল্প উপযোগী অবকাঠামোর কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।
এসপিপিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মোস্তফা হায়দার বলেন,যৌথ বিনিয়োগের মাধ্যমে এলপিজি টার্মিনাল নির্মাণ করা সম্ভব হলে মহেশখালীতে পেট্রোকেমিক্যাল কারখানাও নির্মাণ করা হবে।এলপিজি টার্মিনালে ২০ কোটি মার্কিন ডলার এবং পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় ১৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে বলে তিনি জানান।
বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ এই শিল্প কারখানায় ১০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

Check Also

চার বছর পর বেসরকারি খাতে ঋণের সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি

অর্থনীতি ডেস্ক :  অবশেষে বাড়ছে বেসরকারি খাতে ঋণের চাহিদা। বিগত চার বছর পর বেসরকারি খাতে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *