Tuesday , November 21 2017
হোম / রাজধানী / টাঙ্গাইলে চলন্ত বাসে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় আলামত মিলেছে

টাঙ্গাইলে চলন্ত বাসে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় আলামত মিলেছে

ঢাকার ডাক ডেস্ক : টাঙ্গাইলের মধুপুর এলাকায় ছোঁয়া পরিবহনের একটি চলন্ত বাসে আইন বিভাগে পড়ুয়া ছাত্রী রূপাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার আলামত পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে জানা যায়, মাথায় আঘাতের কারণে রূপার মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর আগে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছিল। ডিএনএ প্রতিবেদন পাওয়ার পরই এ ঘটনার অভিযোগপত্র গঠন করা হবে বলে জানিয়েছে মধুপুর থানা পুলিশ।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ও ময়নাতদন্তকারী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম খান মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) সিভিল সার্জনের কাছে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মধুপুরের অরণখোলা পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক কাইয়ুম খান সিদ্দিকী জানান, ময়নাতদন্তের সময় সংরক্ষিত রূপার দাঁত ও পরিধেয় বস্ত্রের ডিএনএ পরীক্ষার জন্য মঙ্গলবার টাঙ্গাইল বিচারিক হাকিম আদালতে আবেদন করা হয়েছিল। আদালত ডিএনএ পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছেন। বুধবার সকালে এগুলো পরীক্ষার জন্য সিআইডি’র পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে। ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই মামলার অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত ২৫ আগস্ট বগুড়া থেকে ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে ছোঁয়া পরিবহনের একটি চলন্ত বাসে পরিবহন শ্রমিকদের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হন রূপা। পরে ঘাড় মটকে তাকে হত্যা করে টাঙ্গাইলের মধুপুর বন এলাকায় ফেলে রেখে যায় তারা। পুলিশ ওই রাতেই তার লাশ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্ত শেষে পরদিন বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করা হয় রূপাকে।

এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মধুপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। এরপর ছোঁয়া পরিবহনের চালক হাবিবুর (৪৫), বাসের তত্ত্বাবধায়ক সফর আলী (৫৫) এবং বাস চালকের সহকারী শামীম (২৬), আকরাম (৩৫) ও জাহাঙ্গীরকে (১৯) গ্রেফতার করে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রূপাকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছে তারা।  পরে ২৯ আগস্ট শামীম, আকরাম ও জাহাঙ্গীর এবং ৩০ আগস্ট হাবিবুর ও সফর আলী আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। তারা সবাই এখন টাঙ্গাইল কারাগারে আছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঘটনার পর ২৮ আগস্ট মধুপুর থানায় গিয়ে লাশের ছবি দেখে রূপাকে শনাক্ত করেন তার ভাই। ৩১ আগস্ট রূপার লাশ উত্তোলন করে তার ভাইয়ের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। পরে তাকে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার নিজ গ্রামে নিয়ে দাফন করা হয়।

Check Also

হাতিরঝিলে নতুন থানা

অনলাইন ডেস্ক :  রাজধানীর হাতিরঝিলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের আওতাধীন একটি পুলিশি থানা স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *