Saturday , September 23 2017
শিরোনাম
হোম / ব্যবসা বানিজ্য / দেশেই এলজিপি-এলডিপি তৈরি করবে ওয়ালটন

দেশেই এলজিপি-এলডিপি তৈরি করবে ওয়ালটন

অর্থনীতি ডেস্ক : দেশেই এলইডি ডিসপ্লের অন্যতম প্রধান উপাদান এলজিপি (লাইট গাইড প্লেট) এবং এলডিপি (লাইট ডিফিউজার প্লেট) তৈরি করবে ওয়ালটন।  যা এলইডি টেলিভিশন, ডিজিটাল সাইনেজ ও বিজ্ঞাপন বোর্ড এবং এলইডি প্যানেল লাইটসহ গুরুত্বপূর্ণ ভবন নির্মাণ ও অলংকরণে ব্যবহার করা হবে।

দেশের চাহিদা মিটিয়ে এ দুটি প্রযুক্তি পণ্য রফতানিরও প্রস্তুতিও নিচ্ছে ওয়ালটন। ইতিমধ্যে বিভিন্ন দেশে এসব পণ্যের স্যাম্পল বা নমুনা পাঠানো হয়েছে। আশা করা হচ্ছে উৎপাদন শুরু হলেই মিলবে রফতানি আদেশ।

ওয়ালটনের এলইডি টিভি সোর্সিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সিনিয়র ডেপুটি ডিরেক্টর তাওসীফ আল মাহমুদ জানান, এলজিপি এবং এলডিপি হলো একধরনের অপটিক্যাল শিট। যা এলইডি টেলিভিশনের মনিটর, ল্যাপটপ, ট্যাব, মোবাইল ফোন ইত্যাদি পণ্যের ডিসপ্লে তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া এলইডি প্যানেল লাইট, ডিজিটাল সাইনবোর্ড, বিজ্ঞাপনী বা তথ্যমূলক বোর্ড এবং ভবন নির্মাণ ও অংলকরণেও এটি ব্যবহৃত হয়। এলজিপি একধরনের স্বচ্ছ এক্রেলিক শিট। এটি ইএলইডি টেলিভিশনের লাইট গাইড প্লেট হিসেবে কাজ করে। এছাড়া এলজিপি বা এক্রেলিক শিট ব্যবহৃত হয় উন্নতমানের একুরিয়াম এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার সৌন্দর্য বর্ধনে, গ্লাস শিট হিসেবে। আর এলডিপি হলো সাদা রঙের পাতলা পিএস শিট। যা ডিএলইডি টিভির লাইট ডিফিউজার প্লেট হিসেবে কাজ করে। এছাড়া, এলইডি প্যানেল লাইটসহ এর বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে।

ওয়ালটন টেলিভিশন সোর্সিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এ্যাডিশনাল ডিরেক্টর মোস্তফা নাহিদ হোসেন বলেন, দেশে উচ্চমানের এলজিপি-এলডিপি তৈরি হলে এলইডি টিভির পিকচার কোয়ালিটি আরও উন্নত হবে। টিভির পর্দা হবে আরো স্লিম কিন্তু টেকসই ও মজবুত। কমে আসবে এলইডি টেলিভিশনের উৎপাদন ব্যয়। ফলে উপকৃত হবেন ক্রেতারা। তারা আরও সাশ্রয়ী মূল্যে উচ্চমানের এলইডি টিভি কিনতে পারবেন।

ওয়ালটনের সোর্সিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান আশরাফুল আম্বিয়া বলেন, বর্তমানে বিজ্ঞাপনী বা তথ্যমূলক ডিজিটাল বোর্ড এবং এলইডি প্যানেল লাইট তৈরিতে যে এলজিপি-এলডিপি ব্যবহৃত হয়, কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে তা আনতে হয় বিদেশ থেকে। উৎপাদন ব্যয় কমাতে এবং বেশি লাভের আশায় অনেক ব্যবসায়ীই নিম্নমানের এলজিপি-এলডিপি আমদানি করেন। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হন ক্রেতারা। কিন্তু ওয়ালটনের কারখানায় উৎপাদিত এসব পণ্য হবে সর্বোচ্চ মানসম্পন্ন। কারণ ওয়ালটন ব্যবহার করছে বিশ্বখ্যাত জার্মান প্রযুক্তি। তিনি জানান, আগামি মাস থেকেই ওয়ালটনের নিজস্ব কারখানায় উৎপাদন শুরু হবে। প্রাথমিকভাবে প্রতি ঘন্টায় উৎপাদিত হবে ৫০০ কেজি।

Check Also

থ্রিজিতে ব্যর্থ, ফোরজিতে সফল হবে তো

অর্থনীতি ডেস্ক : থ্রিজিতে প্রত্যাশিত ব্যবসা করতে পারেনি সেলফোন অপারেটররা। কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে না পারায় …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *